টাকার বিনিময়ে মিলছে ডিপ্লোমা সনদ। কোনো স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পড়াশোনা বা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়াই সনদ নিয়ে চিকিৎসকের পরিচয়ে রোগী দেখছেন অনেকে। ফলে গ্রাম থেকে শহর—বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠছে কথিত ‘ভুয়া ডাক্তার’-এর চক্র।
অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের ডিপ্লোমা, প্রশিক্ষণ সনদ ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করছে। এসব সনদ ব্যবহার করে অনেকে নিজেদের চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে চেম্বার খুলছেন এবং সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকায় চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত হওয়ায় এসব কথিত চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা জ্ঞান ও যোগ্যতা না থাকায় ভুল রোগ নির্ণয়, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ কিংবা ভুল চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, চিকিৎসার মতো স্পর্শকাতর পেশায় ভুয়া সনদ ও অনুমোদনহীন চিকিৎসার সুযোগ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বৈধভাবে চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি রাখে, তা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে টাকার বিনিময়ে সনদ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং অনুমোদনহীনভাবে চিকিৎসা দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দাবি উঠেছে।